Skip to main content

Posts

ছোটোদের কবিতা /ছড়া চাঁদের বুড়ি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 এক যে ছিল চাঁদের কোনায় চরকা কাটা বুড়ি, পুরাণে তার বয়স লেখা সাতশ হাজার কুড়ি। সাদা সুতোর জাল বোনে সে হয় না বুনোন সারা, পণ ছিল তার, ধরবে জালে হাজার কোটি তারা।

JACK AND JILL

 Jack and jill Went up the hill To fetch a pill of water; Jack fell down And broke his crown And jill came tumbling after. জ্যাক এবং জিল জ্যাক এবং জিল গিয়েছিল পাহাড়ের উপর আনতে এক বালতি জল ; সেখান থেকে জ্যাক গেল পড়ে আর তাতে গেল তার মাথার চাঁদি  ভেঙে আর জিল আসতে থাকল গড়িয়ে গড়িয়ে তার পিছনে পিছনে।

HUMPTY DUMPTY

 Humpty Dumpty sat on a well, Humpty Dumpty had a great fall;  All the king&s horses And all the king's men  Could't put Humpty Dumpty together again. Thanks to Amazon

প্রার্থনা মদনমোহন তর্কালংকার

  সকাল উঠিয়া আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি। কআদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে। ভাইবোন সকলেরে যেন ভালোবাসি, মোর লাগি ব্যথা নাহি পায় দাসদাসী।

(ছোটদের কবিতা) ছুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 মেঘের কোলে রোদ উঠেছে বাদল গেছে টুটি, আজ আমাদের ছুটি, ও ভাই আজ আমাদের ছুটি। কি করি আজ ভাবে না পাই পথ হারিয়ে কোন বনে যাই, কোন মাঠে যে ছুটে বেড়াই সকল ছেলে জুটি।

ফুটবল

 সূচনা :- ফুটবল খেলা শুরু হয় ইংল্যান্ডে। পরবর্তীতে ফুটবল খেলা ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ।  বর্তমানে আমাদের দেশও ফুটবল খেলা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। খেলার উপকরণ :- একটি রবারের ব্লাডারকে একটি পুরু চাম ড়ার গোল আকরের খোলের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে হাওয়া ভরে ফুটবল তৈরি হয়। ফুটবল খেলার উপযোগী মাঠের দৈর্ঘ্য  ১২০ গজ ও প্রস্থ ৮০ গজ। এই খেলা দু, টি দলের মধ্যে হয়ে থাকে , । দু'প্রান্তে দু, টি গোল পোস্ট থাকে। গোলপোস্টের জালে বল প্রবেশ করলেই 'গোল' বলে ধরা হয়।  বিবরণ :- ফুটবল খেলার এক এক দলের ১১ জন করে খেলোয়াড প্রয়োজন।১ জন গোলকিপার। সে চেষ্টা করে  বিপক্ষ দলের খেলোয়াডেরা পোস্টের মধ্যে যেন বল ঢকাতে  না পারে । সামনের দিকে প্রতিটি দলে ব্যাক, স্টাপার ব্যাক, হাপ ব্যাক, লিংম্যান , ফরোয়াড থাকে।একজন রেফারী খেলা পরিচালনা করেন এবং মাঠের  দু'দিকে দু, জন লাইন্স ম্যান রিফারীকে সাহায্য করেন। যে দল শেষ পৰ্যন্ত বেশী গোল করতে পারে সেই দল বিজয়ী হয়, দুটি দলই গোল করতে না পারলে বা সমান গোল করলে খেলা ড্র হয়। উপকারিতা :- ফুটবল খেলার সমস্ত অঙ্গ - প্রত্যঙ্গের খুব ভাল ব্যায়াম হয়। উপসংহার :-...

দয়ার সাগর বিদ্যাসাগর

সূচনা:-  বিদ্যাসাগরই প্রকৃতিই বিদ্যার সাগর এবং ভারততথা  গোটা বিশ্বের গর্ব। তখন সেই অশিক্ষা ও কুসংস্কারের জঞ্জাল দূর করতে শপত নিয়ে এসেছিলেন, তিনি সকলের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। জন্ম ও বংশবাদী :- ১৮২০ সালে ২৬শে সেপ্টেম্বর মাসের মেদিনীপুর জেলায় বীর সিংহ গ্রামে দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন । তাঁর নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় । তাঁর  পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভগবতী দেবী। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতা কলিকাতার খুব বেতনে চাকুরী করতেন । শিক্ষা জীবন :- শৈশবে গ্রামের পাঠশালায় ঈশ্বরের শিক্ষা শুরু হয়। শেষ করে তাঁর পিতার সঙ্গে কলিকালয় চলে আসেন। কলিকাতায় তিনি ভর্তি হন সংস্কৃতি কলেজে। তিনি অত্যান্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি মাত্র কুড়ি বছর বয়সে বিভিন্ন শাস্ত্রে অগাধ পণ্ডিত্য লাভ করেন এবং "বিদ্যাসাগর "উপাধী লাভ করেন। কর্ম জীবন:- সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক হন। তিনি বর্ণপরিচয় ১ ম ভাগ ২য় ভাগ, সীতার বনবাস, কথামালা, বোধোদয়, সংস্কৃত ব্যাকারণের উক্রমণিকা, ব্যাকারণ কৌমুদী সহ বহু শিক্ষামূলক গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি গরিবদের মধ্যে নিজে...