একদিন এক সিংহ জঙ্গলের ভেতর নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলো। সেই সময় হঠাৎ একটি ইঁদুর খেলতে খেলতে লাফিয়ে সিংহের গায়ে এসে পড়লো। আচমকা সিংহের ঘুম ভেঙে গেল। সে ইঁদুরের উপর ভীষণ রেগে গেল। তখন খোপ করে ইঁদুরকে চেপে ধরে বলল, তোর এতবড়ো সাহস! তুই অসময়ে আমার ঘুম ভাঙালি। তোকে আর ছাড়ছি না। আজ আমি তোকে খেয়েই ফেলবো। এই বলে সিংহ হাঁ করল। ইঁদুর তাই দেখে হাত ঝোড় করে, মিনতি করে বলল, মহারাজ আমায় খাবেন না। আমি না বুঝে খেলতে গিয়ে, মহা অন্যায় করে ফেলেছি। দয়া করে আমায় ক্ষমা করে আমার প্রাণ ভিক্ষা দিন। আমি ঠিক একদিন আপনার এই ঋণ শোধ করে দেব। ইঁদুরের কথা শুনে সিংহ হেসে বলল - তুই ঐটুকু ছোট্ট একটা প্রাণী হয়ে, কি করে আমার ঋণ শোধ করবি? তুই তো নিজেই দুর্বল। কোথায় কখন বেঘরে মারা পড়বি তার ঠিক নেই। তখনকার মত সিংহ ইঁদুরের
এক মহা কৃপণ লোক ছিল। একদিন সে তার সমস্ত বিষয় সম্পত্তি বিক্রি করে, শহর থেকে বেশ বড় একটা সোনার দলা কিনে নিয়ে এল। তারপর সেটি ঘরে না রেখে, লুকিয়ে তার বাগানের এক কোণে মাটিতে গর্ত করে পুঁতে রাখল। এরপর থেকে রোজ সকাল হলেই, সেই কৃপণ তার বাগানে গিয়ে, চুপি চুপি গর্তের মাটি সরিয়ে সোনার দোলাটি দেখে, আবার মাটি চাপা দিয়ে আসত। সোনার দোলাটি ঘরে না রেখে মাটিতে পুঁতে কৃপণ মনে মনে খুব নিশ্চিন্ত হয়েছিল। এই ভাবে তার কেটে গেল অনেক দিন। হটাৎ একদিন সেই কৃপণের বাড়ির ধূত চাকর দেখে ফেলল সেই কান্ড। রোজ সকালে মনিবকে বাগানের মাটি খুঁড়তে দেখে তার ভীষণ কৌতূহল হল। গর্তের ভেতর কি আছে, তা দেখার জন্য সে সুযোগ খুঁজতে লাগল। একদিন কৃপণ কিছু কেনাকাটি করতে শহরে গেল। বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হল। সেই ফাঁকে চাকরটি বাগানে গিয়ে গর্তের মাটি সরিয়ে দেখতে পেল সোনার দলাটি। এতো বড়ো একটি সোনার দলা হাতে পেয়ে চাকরটির ভীষণ লোভ হল। মনিব ফেরার আগেই সে চুপি চুপি সোনার দলাটি নিয়ে পালিয়ে গেল। রোজকার মতো, পরেরদিন সকলে কৃপণ গর্তের কাছে গিয়ে দেখল, গর্ত খালি। সেখানে সোনার দলাটি নেই। কৃপণ বুক চাপড়ে কাঁদতে লাগল। তার কান্না শুনে প্রতিবেশিরা সবাই ছু
Comments
Post a Comment